নুর জিংক

নুর জিংক – জিংক সালফেট (হেপ্টাহাইড্রেট)

জিংক ২১% + সালফার ১০.৫%

উপকারিতা:
জিংকের অভাব হলে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন কমে যায় এবং গাছের সবুজ বর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ে (vegetative stage) যা সহজেই চেনা সহজ। ফলনের বিভিন্ন অতিরিক্ত পর্যায়ে জিংকের অভাব হলে গাছের সবুজ বর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ে (vegetative stage) যা সহজেই চেনা সহজ। ফলনের বিভিন্ন অতিরিক্ত পর্যায়ে জিংকের অভাবে গাছ বা গাছে বিভিন্ন ধরনের রোগ বা দাগ দেখা দিতে পারে। ফলন কমে যায় এবং ফলন সঠিক হয় না।
জিংক সালফেটের অভাব হলে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন কমে যায়। সবুজ পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করে (vegetative stage)। গাছের বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় না।
ফসলের বিভিন্ন রোগ বা দাগ দেখা দিতে পারে।
জিংক ফসলের মূল উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জিংকের অভাবে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন কমে যায়।
বিভিন্ন ফসলের জিংকের চাহিদা পূরণ করে। যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, তিল, চিনাবাদাম, আলু, ডাল, সবজি, ফল, তামাক, তুলা এবং অন্যান্য ফসলের জন্য উপযোগী।
অঙ্কুরোদগম হওয়ার ও চারা পাতা হলুদ ও নরম হওয়া কমে যায়। পাতার বৃদ্ধি ও কুঁড়ি গঠন কমে না। ফলন পরিপক্ক হওয়ার জন্য বেশি সময় লাগে না।
জিংক গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
জিংক ফসলের বৃদ্ধি এবং ফলন বাড়াতে সাহায্য করে।

ব্যবহারের মাত্রা: ফসলের ও প্রয়োগ সময় অনুযায়ী ১.৫-২.০ কেজি/একর। তবে জমিতে জিংক ও সালফারের অভাবের মাত্রা অনুযায়ী ভিন্নভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

ব্যবহার পদ্ধতি:
ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে জমিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
ব্যবহার করার ১-২ দিন আগে সার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
জমিতে প্রয়োগের আগে মাটি পরীক্ষা করে জিংকের অভাব আছে কিনা, নিশ্চিত হয়ে নিন।
ফসলের নির্দিষ্ট বৃদ্ধি পর্যায় ও মাটির অবস্থার উপর নির্ভর করে জিংক প্রয়োগ করা উচিত।
মাটির সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

সতর্কতা:
পণ্যটি খাওয়ার অযোগ্য।
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
খালি পাত্র নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন বা মাটির নিচে পুঁতে দিন।
সরাসরি সূর্যালোক ও আর্দ্রতা থেকে দূরে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
অন্যান্য রাসায়নিকের সাথে মেশানোর আগে পরীক্ষা করে নিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *